Monday , June 25 2018
Home / স্বাস্থ ও চিকিৎসা / কঠিন রোগ থেকে বাঁচতে প্রাকৃতিক উপাদান

কঠিন রোগ থেকে বাঁচতে প্রাকৃতিক উপাদান

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে নানা রকম দূষণ। এই সব দূষণ সম্পর্কে আমাদের জানা থাকলেও , নিজেকে রক্ষা করা যাচ্ছে না এর প্রভাব থেকে। ফলে বেড়েই চলেছে শ্বাসকষ্ট , ক্যান্সার, নানা রকম চর্মরোগের প্রকোপ। তাহলে এসব থেকে বাঁচার উপায় কি? উত্তর হলো আয়ুর্বেদ। আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার আমাদের দেহকে দূষনের সাথে লড়াইয়ে উপযুক্ত করে তোলে। পাঠকের সুবিধার্থে কয়েকটি প্রাকৃতিক উপাদানের নাম তুলে ধরা হল:

আদা: প্রতিনিয়ত দূষণের মাঝে বসবাস আমাদের ক্যানসারের সম্ভবনাকে বাড়িয়ে দেয়। আদা ক্যানসার প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। আবার শরীরে রক্তের সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এটি। রক্তের সেলগুলোকে অক্সিজেন শোষণে আরো স্বক্রিয় করে তোলে। এছাড়াও শরীরের বর্জ্যগুলোকে সহজে বেরিয়ে যেতে সহায়তা করে এটি। তাই প্রতিদিন খাবারে আদার ব্যবহার জরুরি।

হলুদ: হলুদে আছে এন্টি অক্সিডেন্ট উপাদান, যা আমাদের দেহের ক্ষতিকর প্রভাবকগুলোকে দূর করতে সহায়তা করে। এছাড়াও এটি আমাদের ফুসফুসকে সুরক্ষিত রাখে। বিষেষ করে এজমার রোগীদের জন্য এটি খুব কার্যকরী। দুধের সাথে কাচা হলুদ মিশিয়ে খেলে সুফল পাওয়া যাবে। এছাড়াও চেহারায় বয়স্ক ভাব দূর করতে এটি সহায়ক। কাচা হলুদের মিশ্রণ চেহারায় দিলে চেহারায় লাবণ্যতা ফুটে ওঠে।

নিম: বায়ু দূষণের কারনে আমাদের নানা রকম চর্ম্ রোগ হয়। এছাড়াও সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় আমাদের ফুসফুস। নিমপাতার মিশ্রণ এ ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরি উপাদান। বাড়িতে নিমগাছ থাকলে বাড়ীর বাতাস বিশুদ্ধ থাকে। এছারা ক্যান্সার প্রতিরোধেও এটি অত্যন্ত সহায়ক।

তুলসি পাতা: রগ জীবাণু থেকে রক্ষা পেতে তুলসি পাতা রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। এজমা, ঠাণ্ডা জনিত রোগের জন্য এটি যেকোনো ঔষধের চাইতে বেশি কাজ করে। এটি রক্তের ক্ষতিকর উপাদাঙ্গুলোকে দূর করতেও সহায়তা করে। তুলসি পাতা , রস করে খাওয়া যায়। আবার পাতা খেলেও অসুবিধা নেই।

বেদানা: বেদানার রস দেহের জন্য খুবই উপকারি। এটি রক্তে লহিত কণিকার পরিমান বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও আমাদের হৃদপিন্ডে রক্তের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে বেদানা উপকারী।

বাসায় তৈরী খাবার: বাসায় তৈরী যে কোনো খাবার আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। বাইরের খাবার যত দামী হোক না কেনো, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী হলে, বা কম সিদ্দঝ হলে তা দেহের জন্য মোটেই ভালো নয়। এছাড়াও ফাস্টফুদ স্থুলতার সমস্যা তোইরি করে। তাই যতসম্ভব বাসায় তৈরী খাবার খাওয়া উচিত।

সম্পাদনায়: জান্নাতুল মাওয়া অনন্যা

Check Also

স্ট্রোকের ৭ লক্ষণ

স্ট্রোককে এক কথায় বলা যায় মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ। স্ট্রোকের ফলে মস্তিস্কের নালীগুলোতে অক্সিজেন সরব্রাহ বন্ধ হয়ে …